"" কোটি টাকার স্কুল উদ্বোধনের আগেই ভেংগে পরলো ! - চিরিরবন্দর.কম

এক নজরে চিরিরবন্দর

বেকিং নিউজঃ

আজ রবিবার চিরিরবন্দর উপজেলা চত্তরে অনিয়ন্ত্রিত ট্রাক্টর চালানো বন্ধের দাবিতে সাধারন ছাত্র জনতার মানব বন্ধনের আয়োজন করা হয়েছে, সর্বস্তরের জনগনকে এই প্রতিবাদে অংশ নেয়ার জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে**এক নজরে চিরিরবন্দরঃ খাদ্যসশ্য উৎপাদনে দিনাজপুর জেলার সমৃদ্ধ উপজেলা গুলোর মধ্যে চিরিরবন্দর একটি অন্যতম উপজেলা। ১৯১৪ সালে চিরিরবন্দর থানা গঠিত হয়। বৃটিশ আমলে এ উপজেলাধীন চিরির নদীতে বড় বড় নৌকায় করে সওদাগররা তাদের ব্যবসার মালামাল আনানেয়া করত এবং ব্যবসা করত। ব্যবসার কারনে এখানে একটি বন্দর গড়ে উঠে। নদীর নামানুসারে এ বন্দরটির নাম হয় চিরিরবন্দর। কালক্রমে এ বন্দরের নামানুসারে এ মৌজাটি চিরিরবন্দর নামে পরিচিতি লাভ করে মর্মে জানা যায়। বাংলাদেশের উত্তর জনপদের দিনাজপুর জেলার আওতাধীন চিরিরবন্দর উপজেলা।ঐউপজেলার ইতিহাস আছে, ঐতিহ্য আছে আছে নিজস্ব স্বকিয়তা ও বৈশিষ্ট্যঃ

Feature 3

কোটি টাকার স্কুল উদ্বোধনের আগেই ভেংগে পরলো !


উদ্বোধনের আগেই ভেংগে পরলো কোটি টাকার স্কুল !
প্রায় কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সাইক্লোন শেল্টার কাম প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন উদ্বোধনের আগেই বিলীন হল তেঁতুলিয়া নদীতে। মঙ্গলবার রাত পৌনে ৩টায় তেঁতুলিয়ার তীব্র ভাঙনে ভবনের দুই-তৃতীয়াংশ বিলীন হয়ে গেছে। অবশিষ্ট অংশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
যে কোনো মুহূর্তে ওই ধ্বংসস্তূপও নদীগর্ভে হারিয়ে যেতে পারে। নদীগর্ভে হারিয়ে যাওয়া এ প্রতিষ্ঠানটি হচ্ছে মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের সাইক্লোন শেল্টার কাম বাহেরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। উত্তাল তেঁতুলিয়া-কালাবদর নদীর কাজীরদোয়ানী মোহনায় এ প্রতিষ্ঠানটির নির্মাণ কাজ সম্প্রতি শেষ হলেও এখন পর্যন্ত উদ্বোধন হয়নি।
শ্রীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. হারুন অর রশিদ জানান, সাইক্লোন শেল্টার কাম বাহেরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুই-তৃতীয়াংশ তেঁতুলিয়ায় বিলীন হয়ে গেছে। এখনও ভাঙনের মুখে রয়েছে শ্রীপুর বাজার, শ্রীপুর জামে মসজিদ ও বাহেরচর কওমি মাদ্রাসা।
বাহেরচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি মাহমুদ হোসেন জানান, অনেক দিন ধরে সাইক্লোন শেল্টার কাম বিদ্যালয় ভবনটি হুমকির মুখে ছিল। মঙ্গলবার রাত পৌনে ৩টার দিকে ফের ভাঙন শুরু হলে ভবনটির দুই-তৃতীয়াশ নদীতে বিলীন হয়। অবশিষ্ট অংশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী বোরহানউদ্দিন মোল্লা জানান, নির্মাণ কাজ শেষে ২৮ জুন সাইক্লোন শেল্টার কাম বিদ্যালয় ভবনটি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ভাঙনের হুমকির মুখে পড়লে ২২ অক্টোবর ওই ভবন নিলামে বিক্রির সিদ্ধান্ত হয়। বিক্রির আগেই মঙ্গলবার রাতে ভবটির বেশিরভাগ নদীতে বিলীন হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র লোকমান হোসেন বলেন, এলজিইডির অর্থায়নে ২০১৬ সালে যখন সাইক্লোন শেল্টার কাম বিদ্যালয় ভবন নির্মাণ কাজ শুরু হয়, তখন ওই স্থান থেকে তেঁতুলিয়ার দূরত্ব ছিল মাত্র আধা কিলোমিটার। ঝুঁকিপূর্ণ জেনেও স্থানীয় প্রভাবশালীরা ভবন নির্মাণের জন্য স্থানটি শনাক্ত করেন। ভাঙনের ফলে নির্মাণে ব্যয় হওয়া ৭০ লাখ টাকার পুরোটাই জলে গেল।